মূল ঘটনা ও তথ্য
কোলকাতা: ঘূর্ণিঝড় অর্ণব দক্ষিণবঙ্গেই দুর্যোগ সৃষ্টি করে, পরে তা শক্তি হারিয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়। ৩০ অক্টোবর থেকে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় এই নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টির প্রবলতা বাড়ছে এবং সাথে বজ্রপাত ও দমকা ঝোড়ো হাওয়া আসছে।
কী ঘটেছে
- ৩০‑৩১ অক্টোবর দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার জেলাগুলিতে বৃষ্টির পরিমাণ ৭‑২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হতে পারে।
- বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাতসহ দমকা হাওয়া, গতি ৩০‑৪০ কিমি/ঘণ্টা।
- আবহাওয়া দফতর হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির জন্য হালকা সতর্কতা জারি করেছে, ভারী ও অতি ভারী বৃষ্টির জন্য হলুদ ও কমলা সতর্কতা।
- ১‑৫ নভেম্বর পর্যন্ত বৃষ্টি কমে হাল্কা থেকে মাঝারি হয়ে যাবে, কিন্তু বজ্রপাতসহ বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে।
"Special Bulletin 15 : A) Depression (Remnant of Very Severe Cyclonic Storm ‘Arnab’) over south Chhattisgarh and adjoining south Odisha B) Low pressure Area over Andaman Sea" – IMD Kolkata (29 Oct 2026)
প্রেক্ষাপট ও কারণ
ঘূর্ণিঝড় অর্ণব দক্ষিণবঙ্গের সাগরীয় অংশে গঠিত হয়ে প্রবল বৃষ্টিপাত ও ঝড়ের ঝুঁকি তৈরি করে। ৩০ অক্টোবর থেকে অর্ণবের অবশিষ্ট নিম্নচাপ উত্তরবঙ্গেও ছড়িয়ে পড়ে, ফলে বৃষ্টির তীব্রতা বাড়ছে।
প্রভাব ও জনজীবন
- দৈনন্দিন যাতায়াত ও কৃষি কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটতে পারে।
- প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও বিদ্যুৎ সরবরাহে অস্থায়ী ব্যাঘাত দেখা দিতে পারে।
- বন্যা ও ভূমিধসের সম্ভাবনা বেড়ে গেছে, বিশেষ করে নিম্নভূমি ও উপকূলীয় এলাকায়।
- বাসিন্দাদের সতর্কতা অবলম্বন করে সুরক্ষিত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
পরবর্তী পদক্ষেপ
- আবহাওয়া দফতর ৫ নভেম্বর পর্যন্ত কোনও সতর্কতা জারি করেনি, তবে পরিস্থিতি নজরে রাখা হবে।
- স্থানীয় প্রশাসন ও রেসকিউ সেন্টার জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
- বৃষ্টির পরিমাণ কমে গেলে ধীরগতিতে পরিষ্কারকরণ ও পুনরুদ্ধার কাজ শুরু হবে।







