বঙ্গোপসাগরে তৈরি ঘূর্ণিঝড় মুরাসুকে কেন্দ্র করে আলিপুর আবহাওয়ার দফতর আশ্বস্তিকর বার্তা দিয়েছে। বর্তমানে এই জলবায়বিক ঘটনা থেকে পশ্চিমবঙ্গের যেকোনো জেলায় বড় ক্ষতির সম্ভাবনা নেই বলে Météo-বিভাগ স্পষ্ট করেছে। তবে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বৃষ্টি বা বাতাসের পরিবর্তন হওয়া সম্ভব। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব কেটে যাওয়ার পর রাজ্য জুড়ে তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে নেমে যেতে পারে, যার ফলে শীতকালীন আবহাওয়া দ্রুত দখল করতে পারে।
মূল ঘটনা ও তথ্য
আলিপুর আবহাওয়ার অফিসের नवীনতম বুলেটিন অনুযায়ী বঙ্গোপসাগরের মধ্য-मধ্যে ঘূর্ণিঝড় মুরাসু নির্মিত হয়েছে। এটি পশ্চিমবঙ্গের সागरতটীয় অঞ্চল থেকে যথেষ্ট দূরত্বে অবস্থান করছে। আবহাওয়ার বিজ্ঞানীরা বলছেন, এর গতি ও দিক পরিবর্তন না হলে রাজ্যে প্রাণঘাতী आँधी-বৃষ্টির সম্ভাবনা নগণ্য। তবে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া ও কলকাতা महানগরীর আশেপাশে মাঝারি মাত্রায় বৃষ্টি হতে পারে। বাতাসের গতিও ৪০-৫০ কিমি/ঘণ্টা পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
"ঘূর্ণিঝড় মুরাসু বর্তমানে রাজ্যের জন্য কোনো বড় ভয় সৃষ্টি করছে না। কিন্তু এর প্রভাবে আर्द্র বাতাস প্রবেশ করলে রাত্রির তাপমাত্রা কমে শীতের অনুভূতি বাড়বে।" — আলিপুর আবহাওয়ার দফতর के वरिष्ठ अधिकारी
প্রেক্ষাপট ও কারণ
প্রতিবর্ষ নভেম্বর-ডিসেম্বরে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। এই বছরের মুরাসু হলো বর্তমান মৌসুমের দ্বিতীয় ঘূর্ণিঝড়। এর আগে অক্টোবরে একই অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় দানা তৈরি হয়েছিলथा। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি চলছে। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বঙ্গোপসাগর থেকে শুষ্ক ও শীতল উত্তর-পশ্চিম বাতাস প্রবেশের পথ প্রশস্ত হবে, যা পারদ নেমাতে সহায়ক হবে।
প্রভাব ও জনজীবন
- সागरতটীয় জেলাগুলোতে মাছুয়ারা বান্দর সতর্কতা সংকেত মেনে চলতে বলা হয়েছে
- কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ছিটপুট বৃষ্টির সম্ভাবনা
- রাত্রির তাপমাত্রা ২-৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস নেমে ১৮-২০ ডিগ্রির দিকে যেতে পারে
- শীতকালীন ফসলের চাষে लगे কৃষকদের জন্য আশ্বস্তিকর খবর
- সাধারণ মানুষ শীতের পোশাক প্রস্তুত রাখতে পারেন
পরবর্তী পদক্ষেপ
আলিপুর আবহাওয়ার দফতর ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর গতিপথ ২৪x৭ নিরীক্ষণ করছে। അടümüz ৪৮ ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি ঘূর্ণিঝড়ের দিক পরিবর্তন হয় বা তীব্রতা বাড়ে তবে সতর্কতা সংকেত আপডেট করা হবে। জিলা প্রশাসন ও বিনাশ ব্যবস্থাপনা বিভাগ সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নাগরিকদের জন্য পরামর্শ: আধিকারিক উৎস থেকে খবর নিন, অপ্রমাণিত খবরে আতঙ্কিত হবেন না।







