মূল ঘটনা ও তথ্য
কলকাতার শিক্ষামন্ত্রী উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার সেমেস্টার পদ্ধতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। শিক্ষকদের মধ্যে এই পদ্ধতি নিয়ে অসন্তোষের ঢেউ উঠেছে, কারণ নতুন নিয়মে ১২শ শ্রেণিতে প্রি‑টেস্ট, টেস্ট ও চূড়ান্ত বোর্ড পরীক্ষা থাকতে হবে, যেখানে পুরনো পদ্ধতিতে একক চূড়ান্ত পরীক্ষা যথেষ্ট।
কী কী উন্নয়ন
- শিক্ষামন্ত্রী সেমেস্টার পদ্ধতির প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
- শিক্ষকেরা প্রি‑টেস্ট ও টেস্টের অতিরিক্ত চাপকে সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করছেন।
- শিক্ষাবিভাগ পুরনো একক চূড়ান্ত পরীক্ষার পদ্ধতি ফিরিয়ে আনার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করছে।
"শিক্ষামন্ত্রী সেমেস্টার পদ্ধতির প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।"
প্রেক্ষাপট ও কারণ
সেমেস্টার পদ্ধতি ২০২০‑এ চালু হওয়া সত্ত্বেও শিক্ষকেরা মনে করছেন এটি শিক্ষার্থীর উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। প্রি‑টেস্ট ও টেস্টের কারণে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির সময় কমে যাচ্ছে, আর শিক্ষকদের মূল্যায়ন পদ্ধতিও জটিল হয়ে যাচ্ছে। পুরনো পদ্ধতি অনুসারে, শিক্ষার্থীরা একবারের চূড়ান্ত পরীক্ষায় মনোনিবেশ করতে পারে, যা শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে।
প্রভাব ও জনজীবন
- শিক্ষার্থীদের জন্য প্রস্তুতির সময় কমে যায়।
- শিক্ষকদের কাজের চাপ বৃদ্ধি পায়।
- শিক্ষাবিভাগের প্রশাসনিক ব্যয় বাড়ে।
- পরীক্ষার ফলাফলের মানে প্রভাব ফেলতে পারে।
- শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।
পরবর্তী পদক্ষেপ
- শিক্ষাবিভাগ আগামী শিক্ষাবর্ষে পুরনো একক চূড়ান্ত পরীক্ষার পদ্ধতি ফিরিয়ে আনার সম্ভাবনা বিবেচনা করবে।
- সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে শিক্ষকদের ও শিক্ষার্থীদের মতামত সংগ্রহের পরিকল্পনা চলছে।
- চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পরে সংশ্লিষ্ট বিভাগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রত্যাশা।







