নয়া দিল্লিতে ড্রোন কেনার সিদ্ধান্ত
নয়া দিল্লি, ২০২৬‑এর শুরুর দিকে, ভারতীয় সামরিক বাহিনীর চালকবিহীন আকাশযান (ড্রোন) ক্রয়ের জন্য একটি বড় বরাদ্দ ঘোষণা করেছে। সামরিক আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপটি রাশিয়া‑ইউক্রেন যুদ্ধের পর ড্রোনের কৌশলগত গুরুত্বের প্রেক্ষিতে নেওয়া হয়েছে।
মূল উন্নয়নসমূহ
- ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ড্রোন প্রযুক্তি ক্রয়ের জন্য উল্লেখযোগ্য বাজেট বরাদ্দ করেছে।
- ক্রয়কৃত ড্রোনগুলো নজরদারি, আক্রমণ এবং লজিস্টিক সহায়তা সহ বিভিন্ন ভূমিকা পালন করবে।
- ড্রোনের মাধ্যমে সামরিক ইউনিটগুলো দ্রুত তথ্য সংগ্রহ ও মিশন বাস্তবায়ন করতে পারবে।
সরকারি বিবৃতি
"আমাদের সামরিক বাহিনীর আধুনিকায়নের জন্য ড্রোন প্রযুক্তি অপরিহার্য। নতুন বরাদ্দের মাধ্যমে আমরা দেশের নিরাপত্তা জোরদার করছি," বলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী।
প্রেক্ষাপট ও কারণ
রাশিয়া‑ইউক্রেন যুদ্ধ ও অন্যান্য সাম্প্রতিক সংঘাতে ড্রোনের কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে। ড্রোনের মাধ্যমে শত্রু লক্ষ্যবস্তু সনাক্তকরণ, নজরদারি ও আক্রমণ দ্রুত ও কম ঝুঁকিতে সম্পন্ন করা সম্ভব।
প্রভাব ও জনজীবন
- সামরিক দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে, ফলে দেশের নিরাপত্তা উন্নত হবে।
- প্রযুক্তিগত কর্মসংস্থান ও গবেষণা উন্নয়নে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
- সামরিক নীতি ও কৌশলে সামান্য পরিবর্তন আসবে, যা সাধারণ জনগণের জন্য সামরিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বাড়াতে পারে।
পরবর্তী পদক্ষেপ
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আগামী কয়েক মাসে ড্রোন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে চুক্তি চূড়ান্ত করবে।
- নির্বাচিত ড্রোনের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হবে।
- ভবিষ্যতে আরও বরাদ্দ বা আপগ্রেডের সম্ভাবনা রয়েছে, যা সামরিক প্রযুক্তির ধারাবাহিক উন্নয়ন নিশ্চিত করবে।







