মূল ঘটনা ও তথ্য
সোমবার সন্ধ্যায় কলকাতা হাইকোর্টে প্রাক্তন তথ্য ও সংস্কৃতি মনীষী ইন্দ্রনীল সেনকে ‘মাস আর্ট’ সংস্থা ও দুর্গাপুজা টিকিট বিক্রির জালিয়াতি মামলায় গ্রেফতার করা হয়। সেনকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতে রাখার আদেশ দেওয়া হয়।
অভিযোগ ও প্রমাণ
লকেট চট্টোপাধ্যায়, বিখ্যাত BJP নেতা, সেনকে টিকিট বিক্রির সময় ঘুষ ও জালিয়াতি করে শিল্পী ও সাধারণ মানুষের পেটের ভাত কেড়েছে বলে অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, সেনের সঙ্গে যুক্ত ‘মাস আর্ট’ সংস্থা টেন্ডার থেকে অপ্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করেছে এবং টিকিট বিক্রির সময় উচ্চমূল্য নিলাম করে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ঘুষ পেয়েছে।
"অনেক শিল্পীর পেটের ভাত কেড়েছেন। অন্যায়ের ফল পেতে হবে।"
আদালতের সিদ্ধান্ত
কলকাতা হাইকোর্ট লকেটের দাবির উপর ভিত্তি করে সেনকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতে রাখার আদেশ দেয়। আদালতে সেনের আইনজীবী দাবি করেন যে সেন কোনো ‘মাস আর্ট’ পদে ছিলেন না এবং টিকিট বিক্রি তার কাজ ছিল না, তবে আদালত তা মেনে নেয়নি।
প্রেক্ষাপট ও পটভূমি
দুর্গাপুজা টিকিট বিক্রির চুক্তি ২০২৫ সালের জন্য ছিল, কিন্তু অর্থ সংগ্রহ ২০২২ সাল থেকে শুরু হয়। ‘মাস আর্ট’ সংস্থার টেন্ডার প্রক্রিয়ায় ঘুষ ও কিকব্যাকের অভিযোগ উঠে, যা সেনের সময়ে ছিল।
প্রভাব ও জনজীবন
- কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গের মানুষদের জন্য দুর্গাপুজার টিকিটের মূল্য বাড়ার সম্ভাবনা।
- শিল্পী ও সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে আস্থার ক্ষতি।
- রাজনীতিবিদদের মধ্যে ভিন্নমত বাড়ছে, বিশেষ করে BJP ও INC এর মধ্যে।
পরবর্তী পদক্ষেপ
- সেনের বিরুদ্ধে একটি বিস্তারিত তদন্ত কমিশন গঠন করা হবে।
- হাইকোর্টের পরবর্তী শুনানির তারিখ ২০ নভেম্বর নির্ধারিত।
- লকেট চট্টোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে আরও প্রমাণ উপস্থাপনের প্রত্যাশা।
- ভবিষ্যতে টিকিট বিক্রির টেন্ডার প্রক্রিয়া পুনর্বিবেচনা করা হবে।







