মূল ঘটনা ও তথ্য
২০২১ সালে কলকাতার দুর্গাপুজো ইউনেস্কোর অমূর্ত সাংস্কৃতিক হেরিটেজ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সাথে সাথে 'মাস আর্ট' (Mass Art) নামে একটি সংস্থা গড়ে উঠেছিল। এই সংস্থার সাথে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা ও প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের স্ত্রী মধুছন্দা সেন সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। অভিযোগ হল, এই সংস্থা ইউনেস্কোর অনুমোদন বা বাণিজ্যিক চুক্তি থাকার মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দুর্গাপুজোর পাস বেআইনিভাবে বিক্রি করেছিল।
কী ঘটেছিল
অনুসন্ধানকারীদের মতে, 'মাস আর্ট' সংস্থা পুজো পাস বিক্রির সময় ক্রেতাদের কাছে দাবি করেছিল যে তাদের কাছে ইউনেস্কোর অফিসিয়াল অনুমোদন এবং বাণিজ্যিক চুক্তি আছে। এই ভুল তথ্যের ভিত্তিতে তারা পাস বিক্রি করেছিল। কিন্তু পরবর্তীতে ইউনেস্কো অফিসিয়ালি স্পষ্ট করে দিল যে তাদের সাথে এমন কোনো চুক্তি বা অনুমোদন নেই। এই তথ্য প্রকাশ পাওয়ার পর থানায় অভিযোগ দर्ज করা হয়েছে।
"ইউনেস্কো কখনো 'মাস আর্ট' বা যেকোনো ব্যক্তিগত সংস্থার সাথে দুর্গাপুজো পাস বিক্রির জন্য কোনো বাণিজ্যিক চুক্তি বা অনুমোদন স্বাক্ষর করেনি।"
প্রেক্ষাপট ও কারণ
কলকাতার দুর্গাপুজো ২০২১ সালে ইউনেস্কোর হেরিটেজ তালিকায় থাকার পর পুজো পাসের চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়েছিল। এই সুযোগ নেয়াই 'মাস আর্ট' जैसी সংস্থাগুলো সৃষ্টি হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে। মধুছন্দা সেন এই সংস্থার প্রধান কর্তা-ধর্তাদের মধ্যে একজন ছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে জনগণকে বিভ্রান্ত করা এবং আর্থিক লাভ করা এই কাণ্ডের মূল উদ্দেশ্য ছিল।
প্রভাব ও জনজীবন
- সাধারণ মানুষ ইউনেস্কোর নামের প্রতিষ্ঠা বিশ্বাস করে পাস কিনেছিল
- আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি সাংস্কৃতিক হেরিটেজের নামে ছলাবাজির অভিযোগ
- পুজো কমিটিগুলোর বিশ্বাসযোগ্যতা ও প্রতিষ্ঠার ক্ষতি
- আইনগত কার্রবাইয়ের ভয় থেকে অনুরূপ সংস্থাগুলো সতর্ক
পরবর্তী পদক্ষেপ
পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে। মধুছন্দা সেনকে থানায় ডাকা হয়েছে এবং তাদের বয়ান রেকর্ড করা হবে। আইনজীবীদের মতে, যদি অভিযোগ প্রমাণিত হয় তবে আইপিসির বিভাগ ৪২০ (ছলাবাজি), ৪৬৮ (জালিয়াতি) এবং ১২০বি (षড়যন্ত্র) অনুযায়ী কঠোর শাস্তির বিধান আছে। কোর্টের শুনানি এবং চার্জশিটের জন্য অপেক্ষা করছেন সব pihak।







