মূল ঘটনা ও তথ্য
কলকাতা বিধানসভা সদস্য জাভেদ খানের এলাকায় রিটায়ার্ড বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত ‘প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি বিরোধী কমিশন’ বৃহস্পতিবার পরিদর্শন করে। কমিশন চারটি প্রধান স্থানে গিয়ে বেআইনি নির্মাণ ও ওয়াকফ সম্পত্তি দখলের অভিযোগ যাচাইয়ের প্রচেষ্টা চালায়।
- টপসিতে একটি বহুতল ফ্ল্যাট, যার নির্মাতা শামসের আলি, কমিশনের মতে বিধায়ক ও কাউন্সিলরের নামে ওয়াকফ সম্পত্তি দখল ও বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ রয়েছে।
- টপসির একটি বিশাল পার্কিং এলাকা যেখানে জলাভূমি ছিল, সেখানে অনুমতি ছাড়া নির্মাণের শঙ্কা উত্থাপন করা হয়।
- ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শন করে দেখা যায় স্থানীয় কাউন্সিলরের সহযোগিতায় নির্মাণ হয়েছে বলে অনুমান।
- ‘নির্মাণ কংক্রিট’ নামে একটি এলাকায় জাভেদ খানের ছেলে ফয়াজ আহমেদ খান কর্তৃক নির্মিত দুইটি বহুতল ভবন দেখা যায়, যেগুলোর অনুমতি প্রাপ্তি হয়নি বলে অভিযোগ।
"ওয়াকফ সম্পত্তি আমার অধীনে নেই, আমার পিতৃসম্পত্তি আছে, সব নথি মিউটেশনসহ আছে। ৩০ বছরের রাজনীতিতে কেউ আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেনি," জাভেদ খান বলেন।
"এই ওয়ার্ডগুলোতে অবৈধ নির্মাণ, জলাভূমি ভাঙিয়ে নির্মাণ হয়েছে। আমরা তদন্ত করছি," কমিশন সচিব কে জয়রমণ জানান।
প্রেক্ষাপট ও কারণ
ওয়াকফ সম্পত্তি দখল ও বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ গত বছর থেকেই রাজনৈতিক আলোচনায় ছিল। শুবেন্দু অধিকারী পূর্বে কুয়ামাক স্ট্রিটের সভা থেকে বিভিন্ন ব্যক্তির ওয়াকফ ও রিয়েল এস্টেট সম্পত্তি সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ করেন। জাভেদ খান ও তার ছেলে ফয়াজ আহমেদ খান আংশিকভাবে সমালোচনার মুখে পড়েছেন।
প্রভাব ও জনজীবন
- স্থানীয় বাসিন্দারা বেআইনি নির্মাণের কারণে গৃহনিরাপত্তা ও বন্যা ঝুঁকি নিয়ে উদ্বিগ্ন।
- ওয়াকফ সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ও হোমল্যান্ডে দুর্নীতির সন্দেহ বাড়িয়ে দিতে পারে।
- বিধানসভা ও পৌরসভার মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেতে পারে।
- সম্ভাব্য আইনগত পদক্ষেপে সম্পত্তি জব্দ বা পুনর্বণ্টনের ঝুঁকি।
পরবর্তী পদক্ষেপ
- কমিশন তথ্য সংগ্রহ ও তদন্ত চালিয়ে যাবে; চূড়ান্ত প্রতিবেদন আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রস্তুত হবে।
- জাভেদ খানের ফাইলও শীঘ্রই খোলা হবে বলে রাজ্য বিজেপি মুখপাত্র সায়ন্তন বসু জানিয়েছেন।
- সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি ও সম্পত্তির উপর আইনগত পদক্ষেপের জন্য আইন বিভাগ ও ইডি বিভাগ প্রস্তুতি নিচ্ছে।







