গুরগাঁওতে Skoda Kyalq ৫,৫০০ কিলোমিটার দীর্ঘ যাত্রা সম্পন্ন করে ব্র্যান্ডের স্বনির্ভরতা ও পারফরম্যান্স পরীক্ষা করা হয়। পাহাড়ি রাস্তায় গাড়িটি মসৃণ গতি বজায় রাখলেও, শহরের ঘন যানজটে গতি হ্রাস পায় এবং জ্বালানি খরচ বেড়ে যায়। ব্যবহারকারীরা ইঞ্জিনের টর্ক ও ব্রেকিং সিস্টেমে অপ্রতুলতা অনুভব করেছেন। এছাড়া, রাইড কোয়ালিটিতে পরিবর্তন দেখা গেছে। দীর্ঘ দূরত্বের টেস্টে Skoda Kyalq-এ ইঞ্জিনের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সমস্যা দেখা গেছে, যা ইঞ্জিনের দক্ষতা কমিয়েছে। ব্রেক সিস্টেমে ব্রেক প্যাডের দ্রুত ক্ষয়ও রিপোর্ট করা হয়েছে। এই ফলাফলগুলো Skoda-র প্রযুক্তিগত উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে, বিশেষ করে শহুরে পরিবেশে গাড়ির কার্যকারিতা বাড়ানোর জন্য। গ্রাহকরা গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ ও সফটওয়্যার আপডেটের গুরুত্বও উল্লেখ করেছেন।
BusinessLIVE UPDATEVerified by OurKolkata Newsroom
৫,৫০০ কিমি যাত্রার পর Skoda Kyalq-এ কী সমস্যা রয়ে গেল?
গুরগাঁওতে ৫,৫০০ কিলোমিটার দীর্ঘ যাত্রার পর Skoda Kyalq-এর পারফরম্যান্সে মিশ্র ফলাফল দেখা গেছে। পাহাড়ি রাস্তায় গাড়িটি মসৃণভাবে চললেও শহরের যানজটে গতি কমে যায় এবং জ্বালানি খরচ বেড়ে যায়। ব্যবহারকারীরা ইঞ্জিনের টর্ক ও ব্রেকিং সিস্টেমে অপ্রতুলতা জানিয়েছে। এই অভিজ্ঞতা গাড়ির সামগ্রিক নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেছে।

Enlarge
৫,৫০০ কিমি যাত্রার পর Skoda Kyalq-এ কী সমস্যা রয়ে গেল?Photo via Kolkata24x7





