মূল ঘটনা
পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্যসাথী (Swasthya Sathi) প্রকল্পের ব্যবহারকারীর তথ্য যাচাই করার পর দেখা যায় যে ৩০ লক্ষেরও বেশি ব্যবহারকারীর ঠিকানা অনুপস্থিত বা অবৈধ। শীর্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তারা এই তথ্য পেয়ে অবাক হয়ে যাচ্ছেন, কারণ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হল স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা।
কী ঘটেছে
- অনলাইন ও মেইল‑ভিত্তিক রেজিস্ট্রেশন ডাটাবেসে ৩০ লক্ষের বেশি নামের তথ্য পাওয়া গেছে।
- ডাটা যাচাইয়ে দেখা গেল যে অনেক ব্যবহারকারীর ঠিকানায় বাস্তবে কারো বাস নেই।
- প্রকল্পের তহবিলের ২৫ কোটি টাকার অপচয় সম্ভাবনা উঠে এসেছে।
"এই ধরনের তথ্যের অমিল প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। আমাদের দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।"
প্রেক্ষাপট ও কারণ
স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পটি কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের যৌথ উদ্যোগে চালু করা হয়েছে, যার লক্ষ্য ছিল গ্রামীণ ও শহুরে এলাকার মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা ও ডাক্তারের সাথে যুক্ত করা। তবে, রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায় পর্যাপ্ত যাচাই না থাকায় ডাটাবেসে অনেক অনুপস্থিত বা ভুল তথ্য জমা হয়েছে।
প্রভাব ও জনজীবন
- গ্রামীণ ও শহুরে ব্যবহারকারীরা প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারবে না।
- ২৫ কোটি টাকার অপচয় সরকারী অর্থনীতিতে ক্ষতি করবে।
- স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা কমে যাবে।
- ভবিষ্যতে অনুরূপ প্রকল্পের তদারকি কঠোর করা হবে।
পরবর্তী পদক্ষেপ
- প্রশাসন দ্রুত একটি সমীক্ষা পরিচালনা করবে প্রকৃত ব্যবহারকারীদের তালিকা বের করতে।
- অনুপস্থিত ঠিকানাগুলোর জন্য আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
- প্রকল্পের তহবিলের অডিট পরিচালনা করে অপচয় প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
- পরবর্তী মাসের মধ্যে ফলাফল প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে।







